Rangpur
June 18th, 2018
Business / শিল্প-বাণিজ্য
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের গার্মেন্ট ও পাটজাত দ্রব্যের কদর বাড়ছে
November 19th, 20103,087 views

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের গার্মেন্টস ও পাটজাত দ্রব্যের কদর বাড়ছে। বিশেষ করে নিট ও পাটজাত দ্রব্যের প্রতি অস্ট্রেলিয়ার ক্রেতারা আগ্রহ প্রকাশ করছেন। বাংলাদেশের উৎপাদক ও রপ্তানিকারকরা বিশ্বস্ততার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করলে এখানকার বাজার ধরার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। ১৭-১৯ নভেম্বর মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সোর্সিং ফেয়ারে এমনই আভাস পাওয়া গেছে। এ মেলায় বাংলাদেশ, চীন, ভারতসহ আটটি দেশ অংশগ্রহণ করে। গার্মেন্টস, কুটির শিল্প এবং চামড়াজাত দ্রব্যের এ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ প্যাভেলিয়নে ক্রেতাদের বেশ কৌতূহল ছিল।

চীন ও ভারতীয় পণ্যের পাশাপাশি বাংলাদেশি পণ্য ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পেরেেেছ। তবে বেশির ভাগ ক্রেতাকেই মান নিয়ে প্রশ্ন করতে দেখা গেছে। ১৭ নভেম্বর সকাল ১০টায় অস্ট্রেলিয়ান এক্সিবিশন অ্যান্ড কনফারেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেরি কিনসেলা এ প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন। প্রধান অতিথি মেলবোর্ন সিটি কাউন্সিলর কার্ল জেটার বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে স্বাগত জানান।

এদিকে সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবের নেতৃত্বে একটি সরকারি প্রতিনিধি দলের এই মেলায় যোগদানের কথা ছিল। কিন্তু ১৮ তারিখ সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রতিনিধি দলের কাউকে মেলাপ্রাঙ্গণে দেখা যায়নি। ফলে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে অনুষ্ঠিত পূর্বনির্ধারিত বৈঠকটি বাতিল করতে হয়েছে। ১৮ নভেম্বর দুপুরে এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। সরকারি প্রতিনিধি দলের অনুপস্থিতিতে হতাশ হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ প্যাভেলিয়নের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার লে. জে. মাসুদউদ্দিন চৌধুরী। তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, প্রথমবারের মতো হলেও এই প্রদর্শনীতে এসে বাংলাদেশ এখানকার ক্রেতাদের মাঝে সাড়া জাগিয়েছে। আমরা হাইকমিশনের পক্ষ থেকে ক্রেতাদের অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করেছি। আমি বিশ্বাস করি চীন ও ভারতের পাশাপাশি আমাদের পণ্যও এখানে স্থান করে নিতে পারবে। তিনি বলেন, শুধু অস্ট্রেলিয়া নয় নিউজিল্যান্ডের বাজার ধরতে আমরা তৎপরতা চালাচ্ছি। অস্ট্রেলিয়া ও চীনের মাঝে গভীর ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে। তাই বাংলাদেশকে কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে এগোতে হবে। কেননা বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ায় ডিউটি ফ্রি প্রবেশাধিকার পেলেও চীনা পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক কমিয়ে দেওয়ায় বাংলাদেশের জন্য প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পেয়েছে। মেলার শেষ দিন ১৯ নভেম্বর বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার দ্বিপক্ষীয় ব্যবসায়িক সম্পর্ক নিয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর উপ-পরিচালক এবং প্যাভেলিয়ন পরিচালক মো. কামরুল ইসলাম চৌধুরী। প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন আটটি দেশের প্রতিনিধিরা।