Rangpur
May 25th, 2019
Business / শিল্প-বাণিজ্য
ডাক বিভাগের সেবার নমুনা!
October 1st, 20103,420 views

ডাক বিভাগের সেবার মারপ্যাঁচে রূপালী ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন আসমা আক্তার নামে এক পরীক্ষার্থী। পরীক্ষার ১৮ দিন আগে তার নামে ডাক বিভাগের মাধ্যমে চিঠি ইস্যু করলেও তার কাছে পেঁৗছে পরীক্ষা শেষ হওয়ার চার দিন পর।

 

জানা গেছে, সম্প্রতি রূপালী ব্যাংক লি.'র অফিসার পদে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হন মুলাদী উপজেলার কাজীরচর গ্রামের মো. আক্তারুজ্জামানের স্ত্রী আসমা আক্তার। তার রোল নম্বর ২৩০০৩৯। ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক গান্ধীকুমার রায় তাকে ২৬ সেপ্টেম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ২ সেপ্টেম্বর চিঠি ইস্যু করেন। যার স্মারক নম্বর আরবিএল/প্রমাসবি/পলিসি/২৯৪৭। চিঠিটি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার প্রধান ডাকঘরের মাধ্যমে আসমার মুলাদীর ঠিকানায় প্রেরণ করে।

 

প্রধান ডাকঘর থেকে চিঠিটি ১৫ দিন পর ২৩ সেপ্টেম্বর মুলাদীর চরকমিশনার ডাকঘরে এসে পেঁৗছে। ওই অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তারও সাত দিন পর অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর চিঠিটি প্রাপকের হাতে পেঁৗছে দেন। ডাকঘরের এই কার্যক্রমের ফলে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পেরে চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন আসমা। তিনি জানিয়েছেন, উদ্দেশ্যমূলকভাবেই নির্ধারিত সময় অতিবাহিত করে চিঠিটি তার কাছে পেঁৗছানোর কারণে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করবেন তিনি। তবে মুলাদীর চরকমিশনার ডাকঘরের পোস্টমাস্টার আলমগীর হোসেন জানান, প্রাপকের ঠিকানা খুঁজে না পাওয়ায় চিঠি পেঁৗছাতে দেরি হয়েছে। এ জন্য তিনি শুধু নিজেকেই নয়, প্রধান ডাকঘর কর্তৃপক্ষকেও দায়ী করেছেন।