Dhaka
May 25th, 2019
Business / শিল্প-বাণিজ্য
সুন্দরী বিমানবালারা জড়িয়ে পড়ছে অপরাধে
October 3rd, 20103,145 views

আর্থিক লোভে বা পরিস্থিতির শিকার হয়ে মুদ্রা পাচারসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন বিমানবালারা। এরশাদ সরকারের শাসনামল থেকেই তাদের অপরাধজগতে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে শুধু বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সই নয়, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের সুন্দরী বিমানবালারা নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন বলে জানা গেছে।

অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরাধচক্রে জড়িত থাকা অধিকাংশ বিমানবালা লোভের বশবর্তী হয়েই এ পথে পা বাড়াচ্ছেন। তবে এদের কেউ কেউ প্রেমঘটিত কারণে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার হচ্ছেন বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ৭৪ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানের মতে, সুন্দরী বিমানবালারা বিভিন্ন লোভের কারণেই অপরাধচক্রে জড়িয়ে পড়েন। তবে তারা এ জগতের আন্তর্জাতিক গ্যাংস্টারদের ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার বলে মনে করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার ভোররাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চার নম্বর গেটে তল্লাশি করে আড়াই কোটি টাকার সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রাসহ কামরুন নাহার টুটুল নামে এক বিমানবালাকে গ্রেফতার করেন শুল্ক কর্মকর্তারা। ওইদিনই শুল্ক কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র কুণ্ডু বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করেন। বর্তমানে আটক টুটুলকে (৩৩) তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

তদন্তসংশ্লিষ্টরা জানান, আটক ওই বিমানবালা একটি শক্তিশালী চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের সদস্য। তার মতো আরো সুন্দরী বিমানবালা এই চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন বলে ধারণা তদন্ত কর্মকর্তাদের। তবে টুটুল কোনো ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রে জানা গেছে।

তদন্তের স্বার্থে অনেক কিছু্ই বলা সম্ভব হচ্ছে না বলে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান টুটুলের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক নজরুল ইসলাম।

তবে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুদ্দীন সালেহ আহমেদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, যে কোনো মূল্যে এর রহস্য উদঘাটন করবেন। ওই বিমানবালা দেশীয় পাচারকারী সিন্ডিকেটের একজন সদস্য বলে তারা নিশ্চিত হয়েছেন। এর সঙ্গে অন্য কোনো চক্র জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।