Rangpur
July 21st, 2018
Professionalism / পেশাদারি
চাকরি পেতে প্রফেশনাল ডিগ্রি
October 20th, 20105,164 views

কিছু ডিগ্রি আছে যা সময়োপযোগী এবং চাকরি বাজারে সর্বাধিক চাহিদা সম্পন্ন । এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে চার্টার্ড সার্টিফাইড একাউন্ট্যান্ট। এটি অর্জন করার অর্থই হলো বড় আয়ের প্রফেশনাল হওয়া। যে কারণে শিক্ষাথীরা প্রথমেই ডিগ্রি নেওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের কোর্সে পড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু সিট বরাদ্ধের সীমাবদ্ধতা, বিষয় জটিলতা সহ বিভিন্ন কারণে এর উপর ডিগ্রি অর্জন করা দুরহ বিষয় হলে ও বর্তমানে শিক্ষার্থীরা সর্বাধিক হারে ব্রিটিশ সিএ ডিগ্রি গ্রহণ করতে আগ্রহী হচ্ছে। আর এর মধ্যে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য প্রফেশনাল ডিগ্রি হচ্ছে এসিসিএ, সিএটি। এটি ব্রিটিশ সিএ ডিগ্রি এবং এর রয়েছে পুরো বিশ্ব জুড়ে গ্রহণযোগ্যতা। এদেশে হাতে গোনা কিছু প্রতিষ্ঠান এই আন্তর্জাতিক প্রফেশনাল ডিগ্রি পরিচালনা করছে যা সম্পন্ন করে একাউন্ট্যান্টস প্রফেশনাল হওয়া যায়। এসিসিয়েশন অব চার্টার্ড সার্টিফাইড একাউন্ট্যান্টস বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম প্রফেশনাল একাউন্টিং বডি। এটি ১৯০৪ সালে যুক্তরাজ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে প্রায় ১৭৩টি দেশে এসিসিএ'র ৩ লক্ষ ৫০ হাজারের মত ছাত্রছাত্রী ও প্রায় ১ লক্ষ ৩৫ হাজার সদস্য রয়েছে। ৮০টি দেশে এসিসিএ'র নিজস্ব অফিস রয়েছে এবং বাংলাদেশেও এসিসিএ অফিস খুলেছে। বাংলাদেশে এই কোর্সটি ব্রিটিশ কাউন্সিলে পরীক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন করা যায়। এসিসিএ হচ্ছে বাংলাদেশের সিএ ও আইসিএমএ এর মত কিন্তু বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য একটি পেশাদার ডিগ্রী ।

ক্যারিয়ার গড়তে প্রফেশনালদের কাছে এসব কোর্সের চাহিদা বেশি। অন্য দিকে ইংল্যান্ড সহ বিশ্বের ১৭৩ দেশে পড়াশোনার জন্যে পুরো পুরি ক্রেডিট ট্রান্সফার করা যায়। আর এর পরীক্ষা পদ্ধতি অনেক সহজ। বছরে জুন ও ডিসেম্বরে দুইবার ব্রিটিশ কাউন্সিলে এক সাথে একটি থেকে চারটি বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়া যায়। তবে কম্পিউটার বেজড পরীক্ষা বছরের যেকোনো সময় যেকোনো দিন হতে পারে। যদি কেউ একটি বিষয়ে ফেল করে তবে শুধু ঐ বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে পাশ করতে পারে। এসিসিএ বিষয়ে ১০০ নম্বরে পরীক্ষার্থী ৫০ পেলেই পাস করে। যে কারো এসএসসি, এইচ এসসি, ও-লেভেল করা থাকলে সিএটি, এসিসিএ করতে পারে। বিবিএ এমবিএ পড়তে হলে এসএসসি'র পর এইচএসসি পাশের জন্যে ২ বছর, বিবিএ'র জন্যে ৪ বছর, এবং এমবিএ'র জন্যে ১ বছর অর্থাৎ ৭/৮ বছর সময় লেগে যায়। কিন্তু এসএসসি'র, এইচ এসসি পর শিক্ষাথর্ী ৩/৫ বছরে আন্তর্জাতিক মানের চার্টার্ড একাউন্ট্যান্ট হতে পারে একই সাথে পেতে পারে অক্সফোর্ড ব্রুকস ইউনিভার্সিটির এপস্ন্ল্লাইড একউন্টিংয়ে অনার্স ডিগ্রি। বিবিএ এমবিএ করতে সময় এবং অর্থ উভয়ই বেশি লাগে। সে তুলনায় প্রফেশনাল একাউন্টিং কোর্স করতে তুলনামুলক খরচ হয় অনেক কম। কোর্সটি একবারে শুরু থেকে পড়ানো হয়। এটি পাশ করার পর এসিসিএর তিনটি বিষয় এফ-১,এফ-২,এফ-৩ শেষ হয়ে যায় এবং সরাসরি এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হতে পারে। আবার এ-লেভেল, বা যেকোনো বিভাগ থেকে ব্যচেলর ডিগ্রি করা থাকলে এবং বয়স যদি ২১ বছর হয় তবে এসিসিএ ক্লাসে ভর্তি হওয়া যায়। তবে অনার্স মাস্টার্স করা থাকলে ৯টি বিষয় পর্যন্ত অব্যহতি পেতে পারে। এসএসসি, এইচএসসি উত্তীর্ণের পর এত কম সময়ে এসিসিএ এবং এপস্ন্ল্লাইড একউন্টিংয়ে বিএসসি অনার্স ডিগ্রি লাভ করা শিক্ষা জীবনে অসাধরণ অর্জন।

বাংলাদেশে এ ধরনের ডিগ্রি পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্যতম সিইউসি।সমপূর্ণ পেশাদারিত্বের মাধ্যমে এই কোর্সটি পরিচালনার জন্যে তাদের রয়েছে চমৎকার সেটআপ ও গ্রহণযোগ্যতা। প্রতিষ্ঠানটির পড়ালেখার মান যথেষ্ঠ উন্নত। এর মূল কারণ এখানে কেবল সেই শিক্ষকরা ক্লাস নেন যারা সিএটি/এসিসিএ সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এছাড়া নিজস্ব সফটওয়্যারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার বেজড পরীক্ষার প্র্যাকটিস্ করানো হয়। ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা ফাইনাল পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করে। এদের রয়েছে দুটো ক্যাম্পাস। এছাড়াও এসিসিএ ফান্ডামেন্টাল লেভেল শেষ করার পর বিএসসি (অনার্স) ইন এপস্নাইড একাউন্টিংস ডিগ্রী পাওয়ার জন্য সিইউসি একাডেমিক ও মেন্টর সাপোর্ট দিয়ে থাকে। যোগাযোগ : ০১৭২০৫৫৩২৭৮, ০১৭২০৫৫৩২৭২