Khulna
September 20th, 2018
Recipes / স্বাদঘর
শরবত
March 9th, 20135,987 views

সিরাপ

যা যা লাগবেঃ
চিনি- ২ কাপ, পানি- ১ কাপ, লেবুর রস- ১ টেবিল চামচ।


প্রস্তুত প্রনালীঃ

১.চিনি ও পানি এক সঙ্গে জ্বাল দিন। ফুটে উঠলে লেবুর রস দিন। উপরে চিনির ময়লা জমবে। চামচ দিয়ে ময়লা তুলে ফেলুন। সব ময়লা পরিস্কার হলে সিরাপ স্বচ্ছ দেখাবে।

২.চুলা থেকে নামিয়ে ছেকে নিন। দেড় কাপ সিরাপ হবে। এই সিরাপ দিয়ে পানীয় তৈরী করা যাবে।

.......................................................................................................................................................................

দুধের শরবত

যা যা লাগবেঃ
দুধ- ২ কাপ, ঠাণ্ডা পানি- ২ কাপ, সিরাপ- আধা কাপ, পেস্তা বাদাম কুচি- ১ টেবিল চামচ, গোলাপজল- ১ টেবিল চামচ, জাফরান- সামান্য, বরফ কুচি- পরিমাণ মতো।

 

প্রস্তুত প্রনালীঃ
প্রথমে দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে নিন। ঘন করা দুধ নেড়ে ঠাণ্ডা করে এর ভিতর ঠাণ্ডা পানি সিরাপ, পেস্তা, গোলাপজল, জাফরান দিয়ে ভালোভাবে মেশান। মিশ্রণটি পাতলা কাপড়ে ছেঁকে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

........................................................................................................................................................................

 

ফুটি লাচ্ছি

যা যা লাগবেঃ
ফুটি কুচি- ১ কাপ, মিস্টি দই- ২ কাপ, পানি- ২ কাপ, চিনি- পরিমাণ মতো, বরফ কুচি- পরিমাণ মতো।

 

প্রস্তুত প্রনালীঃ
বরফ কুচি বাদে সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। গ্লাসে ঢেলে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

......................................................................................................................................................................

আনারসের শরবত

যা যা লাগবেঃ
আনারসের রস- ১ কাপ, সিরাপ- ১/৪ কাপ, লেবুর রস- ১ টেবিল চামচ, চিনি- ২ টেবিল চামচ, ঠাণ্ডা পানি- ১ কাপ, বিট লবণ- আধা চা চামচ, গোল মরিচ গুঁড়া- আধা চা চামচ।

 

প্রস্তুত প্রনালীঃ
খোসাসহ আনারসটি লম্বালম্বি দুই টুকরা করে চামচ দিয়ে কুরিয়ে নিন। এই কোরানো আনারসে ২ টেবিল চামচ চিনি নিয়ে আধ ঘণ্টা রেখে দিন। তারপর মিশ্রণটি ছেঁকে রস বের করে নিতে হবে। এবার বের করা আনারসের রসের সঙ্গে বাকি সব উপকরণ মিশিয়ে শরবত তৈরি করুন। প্রয়োজনে চিনি মেশাতে পারেন। তৈরি করা শরবত পরিমাণ মতো বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

.......................................................................................................................................................................

বেলের শরবত

যা যা লাগবেঃ
বেল- ১টা, দুধ- আধা কাপ, পানি- ৪ কাপ, চিনি- পরিমাণ মতো।

 

প্রস্তুত প্রনালীঃ
বেল আগের দিন অথবা ১২ ঘণ্টা আগে ভিজিয়ে রাখুন। এবার বেলের আঠা ও বিচি ফেলে ভালোভাবে চটকে চালুনিতে ছেঁকে নিন। তারপর বাকি পানি দিয়ে চিনি ও দুধ মেশান। এবার প্রয়োজন মতো বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

.......................................................................................................................................................................

কাঁচা আমের শরবত

যা যা লাগবেঃ
আম ছোট টুকরা করা- ১ কাপ, বরফ কুচি- ১ কাপ, পানি- ২ কাপ, চিনি- ২ টেবিল চামচ, লবণ- পরিমাণমত।

 

প্রস্তুত প্রনালীঃ
সবকিছু ব্লেন্ডারে ভালমত ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিন। পরে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

.......................................................................................................................................................................

লাস্‌সি

যা যা লাগবেঃ
দই- ১ কাপ, সিরাপ বা চিনি- ১/৪ কাপ, ঠাণ্ডা পানি- ১ কাপ বরফকুচি, গোলাপজল- ২ চা চামচ, লবণ- প্রয়োজনমতো।

 

প্রস্তুত প্রনালীঃ
দই ফেটে ঠান্ডা পানি মিশান। মিষ্টি দই হলে সিরাপ কম দেবেন। গোলাপ জল ও বরফকুচি দিয়ে পরিবেশন করুন। ইচ্ছা হলে সামান্য লবণ মিশাতে পারেন।

........................................................................................................................................................................

বোরহানি

যা যা লাগবেঃ
দই- ১ কেজি সরিষা, বাটা- ১ চা চামচ, কাঁচামরিচ- ২টি, জিরা ভাজা, গুঁড়া-  অর্ধ চা চামচ, পুদিনাপাতা- বাটা ১ চা চামচ, ধনে ভাজা,গুঁড়া- অর্ধ চা চামচ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া- ১ চা চামচ, বীট লবণ- চা চামচের এক অষ্টামাংশ। 

 

প্রস্তুত প্রনালীঃ
সরিষায় আধা কাপ আন্দাজ পানি মিশিয়ে দই এর সাথে মিশান। পাতলা কাপড় দিয়ে দই ছেনে নিন। গুলান সরিষা দিয়ে দই ছানবেন। প্রয়োজন হলে আরও পানি দিয়ে ছানবেন। দই এর সাথে ৩-৪ কাপ পানি, লবণ মিশান। পুদিনাপাতা, গোলমরিচ অল্প পানিতে গুলে মিশান। গোলমরিচে পছন্দমত ঝাল না হলে নিজের পছন্দে যেটুকু প্রয়োজন বাটা কাঁচামরিচ অল্প পানিতে গুলে মিশান। গুঁড়া মসলা ও বীট লবণ মিশান। ৮-১০ পরিবেশন হবে।

........................................................................................................................................................................

মোদী ফালুদা

যা যা লাগবেঃ
এ্যারারুট- ৬০ গ্রাম, দুধ- ২ কাপ, পানি- ১.৩০ কাপ, চিনি- অর্ধকাপ, এ্যাপেল গ্রীন, এগ ইয়েলো নারিকেলের ঘন দুধ- ২ কাপ লেমন ইয়েলো রং, গোলাপজল।

প্রস্তুত প্রনালীঃ
এ্যারারুট ও পানি একসাথে মিশান। ভালভাবে নেড়ে ৩ টি বাটিতে সমান ৩ ভাগ করে রাখুন। খুব হালকা করে ৩ বাটিতে ৩টি রং মিশান। সবুজ, কমলা, হলুদ তিনটি রঙই খুব হালকা হবে।

হাতল দেয়া সসপ্যানে প্রত্যেক রঙের এ্যারারুট আলাদা রান্না করতে হবে। বড় গামলায় বরফ মিশান পানি নিন। সসপ্যানে গোলানো এ্যারারুট নিয়ে উনুনে দাও। মৃদু আঁচে নাড়তে থাকুন। ঘন ককে এবং চকচক দেখালে উনুন থেকে নামিয়ে ঝাঁঝরিতে নিন। হাত বা চামচ দিয়ে চেপে বরফ পানির উপরে এ্যারারুট বুন্দিয়া ফেলুন। এভাবে তিন রঙের আলাদা বুন্দিয়া করুন। 

বরফ পানি থেকে বুন্দিয়া ছেঁকে তুলে ছড়ানো থালায় রাখুন। এক রঙের বুন্দিয়ার উপরে আরেক রং ছড়িয়ে রাখুন। সবুজের উপরে হলুদ এবং হলুদের উপরে কমলা রাখুন।

দুধের সাথে অল্প অল্প চিনি দিয়ে জ্বাল দিন। সব চিনি দেয়া শেষ হলে নারিকেলের দুধ দিয়ে ২-৩ বার ফুটান। ঠান্ডা করে রেফ্রিজারেটরে রাখুন।

লম্বা কাচের গ্লাসে ২ টে. চামচ ঠান্ডা বুন্দিয়া নিন। অল্প বরফ কুচি দিন। রেফ্রিজারেটর থেকে ঠান্ডা দুধ নামিয়ে ভাল করে নেড়ে গ্লাসে বুন্দিয়ার উপর আধা কাপ দিন। ঠান্ডা ফালুদা পরিবেশন করুন।

.......................................................................................................................................................................

ছাতুর পানা

যা যা লাগবেঃ
ছোলার ছাতু- ৩০০ গ্রাম, পেঁয়াজ- ১টি (কুচানো), কাঁচামরিচ- ৩টি (কুচানো), ধনেপাতা- ১ আটি কুচানো, বিট লবণ- ১চা চামচ, জিরা ভাজা- ১ টেবিল চামচ গুঁড়া, চিনি- ১ কাপ।

 

প্রস্তুত প্রনালীঃ
সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে দুই গাস পানি দিয়ে মিশিতে ফেটান। যদি খুব ঘন হয়ে যায় তাহলে আন্দাজমতো ঠাণ্ডা পানি মেশান। জিরা গুঁড়া ও বরফকুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

........................................................................................................................................................................

ফালুদা

যা যা লাগবেঃ
ঈসুবগুলের ভুসি- ২ টেবিল চামচ, গোলাপ নির্যাস- ১ চা চামচ, চিনি- ৩ কাপ, বরফকুচি- ২ কাপ, গোলাপ জল- ১ কাপ, দুধ- ২ কাপ লেবুর রস- ২ চা চামচ, 
কর্ণফ্লাওয়ার- ২ টে.চামচ, ক্রিম অব টারটার- ১ চা চামচ, চিনি- ৩ টে.চামচ, খাওয়ার রং- সামান্য ঘনদুধ- ২ কাপ।

প্রস্তুত প্রনালীঃ
এককাপ পানিতে ঈসুবগুলের ভূসি এক ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন।


দুই কাপ পানিতে চিনির সিরাপ করুন। গোলাপজল, লেবুর রস ও ক্রিম অব টারটার দিন। সিরাপের উপরে ময়লা জমলে তুলে ফেলুন। পাতলা কাপড়ে সিরা ছেঁকে আরও ফুটান। মধ্যম তাপের সিরাপ রেখে নামান। ঠান্ডা করে রং ও গোলাপ নির্যাস অথবা ২ টে. চামচ গোলাপজল মিশান। একটি গামলায় আধা কাপ সিরাপ ও বরফকুচি মিশিয়ে রাখুন। 


দু টেবিল চামচ দুধে কর্ণফ্লাওয়ার গুলে নিন।

এককাপ দুধ চুলায় দাও। গরম হলে ৩ টে. চামচ চিনি মিশান। আঁচ মৃদু রেখে দুধে গুলান কর্ণফ্লাওয়ার গুলে দিন ও তাড়াতাড়ি নাড়ুন। ঘন হলে নামান। ঘন কর্ণফ্লাওয়ার ঝাঁঝরিতে নিয়ে কাঠের চামচ দিয়ে নেড়ে গামলায় বরফ মিশান সিরাপের উপর ফেলুন। ঝুরির মত ফালুদা পড়বে। কর্ণফ্লাওয়ার বেশী ঘন হলে ২ টে. চামচ দুধ মিশিয়ে নিন।

ঈসুবগুলের ভূসি, বাকি সিরাপ, দুধ ও ঘনদুধ এক সঙ্গে মিশান। ফালুদা দিয়ে মিশান।  ঠান্ডা ফালুদা পরিবেশন করুন।

.......................................................................................................................................................................

পাকা আমের শরবত

যা যা লাগবেঃ
পাকা আম- একটি, একটি পাকা কলা, দুটি (ছোট) চাপা কলা, চিনি- দুই চা-চামচ, বিট লবন- সিকি চা- চামচ, ঠান্ডা পানি- দুই কাপ, টক দই- আধা কাপ।

 

প্রস্তুত প্রনালীঃ
সব এক সঙ্গে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন।

........................................................................................................................................................................

পাঁকা পেঁপের হলুদ জুস

যা যা লাগবেঃ
পাঁকা পেঁপে কিউব করে কাটা- দুই কাপ, পানি- দুই কাপ, চিনি- দুই টেবিল চামচ, 
মধু- এক টেবিল চামচ, বিট লবন- আধা চা-চামচ, বরফ কুচি- পরিমান মতো।

 

প্রস্তুত প্রনালীঃ
সব এক সঙ্গে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন।

........................................................................................................................................................................

ছানার জলের শরবত

যা যা লাগবেঃ
দুধ- ২ লিটার, কাগজি লেবু- ২/৪টি, মিছরি- ১০০ গ্রাম, লবণ- স্বাদমতো, লেবু- ১টি, 
লেবুর পাতা- ৮/১০টি।

 

প্রস্তুত প্রনালীঃ
কাগজি লেবু দিয়ে দুধ কাটিয়ে ছানা আর পানি আলাদা করে রাখুন। মিছরি গুঁড়া করে রাখুন। এক কাপ পানিতে (ছানা কাটানো পানি নয়) গুঁড়া মিছরি, লবণ দিয়ে মিঙ করে নিন। এরপর এতে লেবুর রস দিন। কিছু বরফকুচি ও লেবুপাতার কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

.......................................................................................................................................................................

পাইনঅ্যাপল জুস

যা যা লাগবেঃ

আনারস- ১টি, লবণ- এক চিমটি, চিনি- ৩ টেবিল চামচ, বরফ কুচি- ২-৩ টুকরা, 
চেরিফল- ২টি।


প্রস্তুত প্রনালীঃ
প্রথমে আনারস ভালো করে ধুয়ে নিন, আনারস দুই ভাগ করে মাঝ খানের অংশ চা চামচ বা কাটা চামচ দিয়ে কুরিয়ে নিতে হবে তারপর আনারসের মধ্যে চিনি, লবণ দিয়ে ব্লেন্ডারে জুস করতে হবে। তারপর ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। বরফ কুচি ও চেরিফল দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

........................................................................................................................................................................

আম চিরুনি

যা যা লাগবেঃ
কাঁচা আম- ১টি (বড়ো), বিট লবণ- এক চিমটি, সাদামরিচ গুঁড়া- এক চিমটি, গুঁড়া চিনি- এক কাপ, জলজিরা- ২ টেবিল চামচ, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল- খানিকটা, 
ম্যাঙ্গো এসেন্স- ২ ফোটা।

 

প্রস্তুত প্রনালীঃ
কাঁচা আম ধুয়ে ছুরি দিয়ে চারদিকে চিরে নিন। এবার বিট লবণ ও সাদামরিচ একসঙ্গে মিশিয়ে এই দাগ দেওয়া জায়গায় ছুরি দিয়ে ভরে দিন। অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল দিয়ে আমটি মুড়ে ননস্টিক প্যান অথবা প্রেসার কুকার কিংবা ওভেনে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে মিনিট পাঁচেক পোড়ান। এই সময় কোথাও পানি দেবেন না। আম থেকেই পানি বের হবে। ফয়েলে মোড়া পোড়া আমটি ঠাণ্ডা হতে দিন। ঠাণ্ডা হলে ফয়েল খুলে, খোসা ছড়িয়ে গুঁড়া চিনি, জলজিরা, ম্যাঙ্গো এসেন্স, বরফকুচি দিয়ে বেশ করে নেড়ে পরিবেশন করুন।

........................................................................................................................................................................

 

তরমুজ আফজা

যা যা লাগবেঃ
লাল তরমুজ- ১টি (ছোট), নকুলদানা- ২৫০ গ্রাম, লবণ- এক চিমটে।

 

প্রস্তুত প্রনালীঃ
তরমুজটি চার ভাগে ভাগ করুন, দেখবেন ফালি করে ফেলবেন না। নিচের অংশ যেন জোড়া লাগানো থাকে। ভেতরে নকুলদানা দিয়ে ফ্রিজে রাখুন। মিনিট দশেক পরে তরমুজ ফ্রিজ থেকে বের করে চার ভাগের এক ভাগ থেকে ছোট স্কুপার দিয়ে ১০-১২টি স্কুপ করে গোল করে তুলে রাখুন। বাকি তরমুজ কুরে খোল থেকে আলাদা করে দানা ছেঁকে নিন। বরফকুচিসহ গাসে দিয়ে ওপরে তরমুজের স্কুপ দিয়ে পরিবেশন করুন।